April 7, 2026, 7:31 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, টেকনাফ স্থল বন্ধরে রোহিঙ্গা শ্রমিক সংকট: ৩ দিন ধরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ :

আবদুল গফুর রবিন: টেকনাফ প্রতিনিধি :

mostbet

২৮ শে ফেব্রুয়ারী ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, টেকনাফ স্থল বন্ধরে গত ৩ দিন ধরে শ্রমিক সংকটের কারণে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। প্রায় অর্ধসপ্তাহ ধরে কয়েক কোটি টাকার কাঁচা মাল জলের উপর পরিত্যক্ত রয়েছে। সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। সমস্যাটি সমধানে চেষ্টা চলছে। স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা পণ্য উঠা-নামা বন্ধ থাকায় দৈনিক অর্ধকোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়োজিত বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়ে বন্ধরে আসতে না পারায় এঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় শ্রমিকদের বাদ দিয়ে রোহিঙ্গা শ্রমিকদের ব্যবহার করছে বন্ধর কর্তৃপক্ষ। একটি চক্র শ্রমিকের মজুরির উপর ভাগ বসিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। স্থানীয় শ্রমিকরা এর প্রতিবাদ করায় তাদের বাদ দেয়া হয় অনেক আগেই। দালালের মাধ্যমে কম মজুরীতে রোহিঙ্গা শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে একটি সরকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলেন, স্থলবন্দরটি ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড নামে পরিচালিত হচ্ছে। তারা মের্সাস টেকনাফ ট্রেডিংয়ে নামে ২০০ শ্রমিক পণ্য উঠা-নামার কাজের জড়িত রয়েছে। ওই প্রতিষ্টানটি শ্রমিকের ন্যায্য মূল্য না দেওয়াই তারা কাজ বন্ধ করে দেন। এতে করে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। সরেজমিনে গতকাল দুপুরে দেখায়, আদা, চাল, আচার, মাছ ও কাঠ ভর্তি প্রায় ১শ টি ট্রলার নাফনদীতে নোঙ্গর করে আছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র একটি মাছের ট্রলার থেকে প্যাকেট ভর্তি মাছ কয়েকজন শ্রমিক খালাস করলেও অবশিষ্ট ট্রলারগুলো নোঙ্গর করে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আদা পচঁনশীল দ্রব্য। আর, যেসব ট্রলারে করে মিয়ানমার থেকে চাল আনা হয়েছে সেসব ট্রলারে পানি ঢোকে পড়ে। নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই। এতে করে চাল ভিজে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এভাবে পড়ে থাকায় গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ট্রলার ভাড়া।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১ মার্চ ২০১৮/রুহুল আমিন

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর